রক্ত সঞ্চালন: ম্যাসাজের মাধ্যমে স্তনের আশপাশের রক্ত চলাচল সচল করতে সহায়তা করে।
কার্যকারিতা নিয়ে বাস্তব সত্য ও সতর্কতা
দ্রুত ফলাফলের দাবি: ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে জাদুকরী পরিবর্তনের দাবিগুলো সাধারণত প্রমশেনাল বা মার্কেটিং কৌশল মাত্র।
চিকিৎসকদের মতামত: চিকিৎসকদের মতে, কেবল ক্রিম ব্যবহার করে স্তনের প্রকৃত আকার বা স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। স্তনের গঠন মূলত জিনগত (Genetics), হরমোন এবং চর্বি টিস্যুর ওপর নির্ভর করে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অনুমোদনহীন ও কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম ব্যবহারে ত্বকে অ্যালার্জি, র্যাশ বা প্রদাহের ঝুঁকি থাকে। তাই যেকোনো ক্রিম ব্যবহারের আগে উপাদান দেখে নেওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।